খুঁজুন
, ,

বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে ঈদ উপহার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবি করে ঈদ উপহার বিতরণ

বরগুনা প্রতিনিধি :

বরগুনায় পলাতক স্বৈরাচারী সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দাবী করে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ জাতীয় রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টার পরেও প্রশাসনের পক্ষ হতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভে ফুসে উঠছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সহ বরগুনার সাধারণ মানুষ। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা আছে বলে অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি।

২৯ মার্চ ২০২৫ তারিখ শনিবার অজ্ঞাত স্থানে বসে ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়। বরগুনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো: আবু জাফর, জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম মোল্লা, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদ মোল্লা, জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ কালে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদ মোল্লা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গরিব, দুস্থ, অসহায় এবং আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মীদের মাঝে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জয় বাংলা অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে আজকে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে।

তার বক্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের তৈরি হয়েছে। ওই বক্তব্যে তিনি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বলেও দাবি করেন।

বরগুনা জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুল হক মাস্টারের নেতৃত্বে শনিবার রাতে বরগুনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি। বিএনপির নেতৃবৃন্দের দাবি, প্রশাসনের সহায়তায় পতিত আওয়ামীলীগ বরগুনায় পলাতক শেখ হাসিনার নামে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা। শেখ হাসিনাকে এখনো প্রধানমন্ত্রী দাবি করে রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবি তাদের। এই দেশাদ্রোহীদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা। গণহত্যাকারী পতিত আওয়ামীলীগের দোসরদের বরগুনায় কোন কর্মকান্ড পরিচালনা করতে দেয়া হবে না।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, এর আগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে গেলে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী থেকে সুপারিশ আসে। এমন অবস্থায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাদের। সূত্রটি দাবি করেন, প্রশাসনের স্বাধীন কর্মকাণ্ডে কোন সুপারিশ কিংবা আত্মীয়তার পরিচয় না দিলে এমন রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ড পরিচালনার সুযোগ পেত না পতিত আওয়ামী লীগের দোসরা।

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী বরগুনা জেলা শাখার আমির মাও: মুহিব্বুল্লাহ হারুন বলেন, ফেসবুকে আমি বিষয়টি দেখেছি। প্রশাসনের কাছে দলের পক্ষ থেকে দাবী করছি, জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে।

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, আজকের ঘটনা আমি ফেসবুকে দেখেছি এবং তৎক্ষণিক পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাৎ করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। আজকের ঘটনা নতুন নয়, আওয়ামীলীগের দোসররা ধারাবাহিকভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একের পর এক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। আমি মনে করি প্রশাসনের সহায়তায় এসব কাজ হচ্ছে। পুলিশ তাদের খুঁজে পায় না কিন্তু আমরা রাস্তায় বের হলেই তাদের দেখতে পাই। প্রশাসন না পারলে আমাদেরকে বলুক আমরা ধরে দিয়ে আসব।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইউনুস আলী ফরাজী বলেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারের পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) বরগুনা, মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, প্রশাসনের উপর দায় চাপানো এটা রাজনৈতিক বক্তব্য। তারাই বলতে পারবেন এটা কেন বলেছেন। তবে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে আমরা পুলিশ প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। রাষ্ট্রের যেকোনো নিরাপত্তায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সাদা প্রস্তুত।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা বরগুনা জেলা যুবলীগের জনশক্তি ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করলে কি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম জানান, বিষয়টি আপনার কাছ থেকে শুনেছি। ঈদের পর অফিস খুললে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি:

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু একটি হিন্দু পরিবারের ২৯ শতাংশ পৈতৃক জমি ও পুকুর জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আলহাজ্ব বি.এন. খান ডিগ্রি কলেজের নাম ব্যবহার করে। কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখলের অপচেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত এবং সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বরিশাল সদর রোডস্থ টাউন হলের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস ও তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাস।

মানববন্ধনে সঞ্জয় চন্দ্র দাস অভিযোগ করেন, তাঁর দাদা নারায়ণ চন্দ্র দাসের সূত্রে পাওয়া ২৯ শতাংশ জমি ও পুকুরটি ১৯৫৯ সাল থেকে তাঁদের পরিবার ভোগদখল করে আসছে। সম্প্রতি কলেজের নাম ব্যবহার করে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখিত মোহাম্মদ আজিজ খান ও মো. হাবিব খানের নেতৃত্বে গভর্নিং বডির সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫), অ্যাডভোকেট মো. আমির হোসেন মিয়া (৬৫), সভাপতি মোহাম্মদ নয়ন মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জন ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, তাঁদের জমি কলেজের সীমানাপ্রাচীরের বাইরে। মাঝখানে সরকারি রাস্তা রয়েছে। এরপরও তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য হিসেবে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
সঞ্জয় জানান, গত ১৪ অক্টোবর প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধপূর্ণ পুকুর পরিষ্কারের কাজ শুরু করলে বাধা দেন তাঁরা। এ সময় তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাসসহ পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর একই ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছিল।

সম্পত্তি রক্ষায় ২০২০ সালে উজিরপুরের সিভিল সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দেওয়ানি মামলা (১৪/২০২০) দায়ের করা হয়। মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৬। এ ছাড়া হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ৪৮৯২/২০২৬, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে মিস কেস নম্বর ১৯৪৭/২০২৬ এবং উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ১৫০ ধারায় ০৭/২০২৬ নম্বরের মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। মিস কেসটির শুনানির তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৬।

ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সঞ্জয় বলেন, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম ঘুষের বিনিময়ে তাঁদের জমি রেকর্ড থেকে বাদ দিয়ে কলেজের সম্পত্তির সঙ্গে একত্র করেছেন। কোনো নোটিশ না দিয়েই জমি কর্তন করে ১৫৪২ নম্বর খতিয়ানে রেকর্ড করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানের গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে অনিয়মের বিষয় উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, সম্পত্তিটি উজিরপুর মৌজায় অবস্থিত। এর জেএল নম্বর ৯২, এসএ খতিয়ান ৭৮৮ ও ৭৮৯, এসএ দাগ ১৩৪, বিএস খতিয়ান ১৩৫৫ এবং বিএস দাগ ১৯৬৩। এ ছাড়া আরএস খতিয়ান ২২১ ও ২২৩ এবং ডিপি খতিয়ান ১৩৫৫-এর সঙ্গে সম্পত্তিটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

মানববন্ধন থেকে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভূমি রেকর্ডের অনিয়ম তদন্ত এবং পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগের সুষ্ঠু ও যথাযথ তদন্ত করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

বাপ্পি আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড়সহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করেছে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি’র) সদস্যরা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২৬) সকালে উপজেলার আমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমতলী এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়।

এ সময় বিজিবির টহলদল গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক রাস্তা পরিবর্তন করে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কাভার্ড ভ্যানটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। পরে কাভার্ড ভ্যানটিতে তল্লাশি করে ৯ হাজার ২৭৮ মিটার ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড় উদ্ধার করা হয়।

আটক করা কাপড় ও কাভার্ড ভ্যানের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা। উদ্ধার করা চোরাচালানি মালামাল ও কাভার্ড ভ্যান আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি’র অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না

বিশেষ প্রতিনিধি:

তাফরিদ কটন মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, নারী কর্মীদের যৌন হয়রানি, বেতন-ভাতা আত্মসাৎ এবং ব্যাংকঋণসংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশ করেছিল জি২৪ নিউজ।

সংবাদ প্রকাশের পরপরই জি২৪ নিউজের সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলামসহ সাত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির বাদী ছিলেন শেখ সামিউল ইসলামের স্ত্রী।

আদালতের নির্দেশে প্রথমে উত্তরা পশ্চিম থানা মামলাটি তদন্ত করে। তদন্তে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

পরবর্তীতে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়া হলে আদালত পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব দেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-কে।

সিআইডির কর্মকর্তা শামীম আল আহমেদের নেতৃত্বে দীর্ঘ তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে কোনো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সিআইডিও সাংবাদিকদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

এটি শুধু সাতজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার তদন্তের বিষয় নয়; এটি সত্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাগত দায়বদ্ধতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

এদিকে, এ ঘটনায় জি২৪ নিউজের সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠন Protect Journalists উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে। সংগঠনটি তাদের উদ্বেগের কথা বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতেও ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়েছে।

এ বিষয়ে মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন
আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্য, তথ্য ও জনস্বার্থ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করাই আমার পেশাগত দায়িত্ব।

আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের আলোকে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মামলা, হুমকি কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখা যাবে না। জনস্বার্থে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আমি কখনো আপস করব না।

সত্যের সন্ধানে—আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ "মোবাইল কোর্ট অভিযানে" আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে