খুঁজুন
, ,

পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, সহকারী রেজিস্ট্রারের প্রকাশ্য আক্রমণ: ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, তিন দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
পটুয়াখালী ভার্সিটিতে, সহকারী রেজিস্ট্রারের প্রকাশ্য আক্রমণ: ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, তিন দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমার নির্দেশ

দুমকী ও পবিপ্রবি( পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সহকারী রেজিস্ট্রার (খণ্ডকালীন) মাহমুদ আল জামান কর্তৃক রেজিস্ট্রার শাখার সেকশন অফিসার সাকিন রহমানকে প্রকাশ্যে চরথাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে। ১৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এ সাকিন রহমান এর অফিস কক্ষে এ
ঘটনা ঘটে। এতে ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ঘটনার তৎপরবর্তীতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ ইকতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ অনুযায়ী, কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. দেলোয়ার হোসেন। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান। এছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ মুহসিন হোসেন খান, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ কবিরুল ইসলাম মজুমদার এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলাম। কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য, যাতে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হয়।
ঘটনার শিকার সেকশন অফিসার সাকিন রহমান বলেন,“কোনো প্রকার উসকানি ছাড়াই মাহমুদ আল জামান এসে আমাকে চরথাপ্পড় মারে। এ ধরনের আচরণ একজন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তার জন্য চরম নিন্দনীয়। আমি চাই, এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে আর কেউ কর্মস্থলে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ করার সাহস না পায়।”
পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার রাজাখালী গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জালাল খানের বড় ছেলে মাহমুদ আল জামান অতীতেও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এক ছাত্রীর সাথে একতরফা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে ওই ছাত্রী প্রকাশ্যে তাকে লাঞ্ছিত করলে তিনি মানসিকভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েন। এরপর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং শারীরিকভাবে আক্রমণের অভিযোগে তিনি বিচার মুখোমুখি হন।
পরবর্তীতে তার চাচাতো মামা মরহুম মোহাম্মদ আলী ফারুক তালুকদার এবং মামী, বাকেরগঞ্জের সাবেক আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ শাহনাজ পারভীন মায়া (এমপি), পারিবারিক সম্পর্কের কারণে তাকে ঢাকার প্রীতি গ্রুপে চাকরি দেন। সেখানে আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে তিনি কয়েক বছর চাকরি করেন এবং অভিযোগ অনুযায়ী কোটি টাকার জমি ও অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেন। প্রতারণা ধরা পড়লে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং চাকরি থেকে বহিষ্কার করেন।
পরে বিষয়টি মাহমুদ আল জামানের বাবা-মায়ের কানে পৌঁছালে তারা তাদের আত্বীয় প্রীতিগ্রুপের চেয়ারম্যান ফারুক তালুকদার, তার স্ত্রী মায়া তালুকদার এবং ছেলে—বাকেরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান রাজিব তালুকদারের কাছে গিয়ে ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি মীমাংসা হয়। এরপর পবিপ্রবির প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড এসএম হেমায়েত জাহান এর মাধ্যমে পূর্বে ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে একটি জোর সুপারিশপত্র প্রদান করা হয় এবং তার ভিত্তিতে মাহমুদ আল জামান বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী রেজিস্ট্রার (খণ্ডকালীন) পদে নিয়োগ পান।
মাহমুদ আল জামানের ছোট ভাই রাজিব খান পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ছিলেন। ছাত্রলীগের নেতৃত্বের সুবাদে তিনি পুলিশে সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে চাকরি লাভ করেন এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই পদোন্নতি পেয়ে অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তবে গত জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থান ও বিপ্লবের পর তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাজিব খান বিএনপি-জামায়াতের অসংখ্য নেতাকর্মীর উপর চরম নৃশংস নির্যাতন চালিয়েছেন। এসব ঘটনার কারণে স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদ আল জামান বিবাহ করেছেন দুমকির আওয়ামী লীগ নেতা ও চাচা মো. আব্দুর রব খানের বড় মেয়েকে। তার মেঝ শালিকা বিবাহিত হয়েছেন পবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার, বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা এবং বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ ডিন অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার তানজিলুর রহমান তানজিলের সঙ্গে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাহমুদ আল জামানের পরিবারের কারও সঙ্গে বিএনপি রাজনীতির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, যোগদানের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন সময় আচরণবিধি লঙ্ঘন করে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন, যা প্রশাসনিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এসব কারণে কর্মকর্তাদের মাঝে তার প্রতি তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার (খন্ডকালীন) মাহমুদ আল জামান বলেন, আমার আজকের মন মানুষিক অবস্থা ভালো ছিলনা তাই সেকশন অফিসার সাকিন রহমানের সঙ্গে আমার কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে চড়থাপ্পড় মেরে ফেলি আমার ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এরকম আর হবেনা।
এ বিষয়ে পবিপ্রবির ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন,“ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন,“কর্মস্থলে সহকর্মীর সঙ্গে শারীরিক বা মানসিক আক্রমণ গুরুতর অপরাধ। আমরা চাই, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত শেষ করে সবার সামনে সত্য তুলে ধরা হোক।”
রেজিস্ট্রার (অ: দা:) অধ্যাপক ড. মো: ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন, “এই ধরনের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। আশা করছি তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষভাবে ঘটনা উদঘাটন করবে।”
শিক্ষার্থীদের দাবি, ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের একাংশ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে এবং লিখিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে মাহমুদ আল জামানের চাকরিচ্যুতির দাবি জানায়। তাদের ভাষায়, “বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন অসামাজিক ও অসৌজন্যমূলক আচরণের কোনো স্থান নেই। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ক্ষমতার পালাবদল, বদলায় শুধু পরিচয়! ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী, বর্তমানেও বহাল তবিয়তে —শাহানা আফরোজের খুঁটির জোর কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার পালাবদল, বদলায় শুধু পরিচয়! ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী, বর্তমানেও বহাল তবিয়তে —শাহানা আফরোজের খুঁটির জোর কোথায়?

ক্রাইম রিপোর্টার:

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ইসলামিক মিশন কার্যক্রমে প্রশাসনিক স্থবিরতা, পরিচালনাগত অদক্ষতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিভাগটির বর্তমান পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ডা. শাহানা আফরোজ। তাঁর নিয়োগ, পদায়ন, জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষা করে পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়া, বদলি আদেশ অমান্য, শিক্ষাছুটি গ্রহণ এবং বদলি ও হজ মেডিকেল টিমে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ।

১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইসলামিক মিশন বিভাগ দেশের ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে এ বিভাগের অধীনে প্রায় ৫৯টি ইসলামিক মিশন, তিনটি হাসপাতাল এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এত বড় একটি কার্যক্রম একজন পরিচালকের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা, প্রশাসনিক সমন্বয় ও দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

অভিযোগ রয়েছে, ডা. শাহানা আফরোজের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক ও পারিবারিক প্রভাব কাজ করেছিল। তৎকালীন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্কের সূত্র ধরে প্রভাব খাটিয়ে মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ক্ষেত্রে নিয়োগসংক্রান্ত রেজুলেশন, পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাঁর চাকরিজীবনের বড় একটি সময় ঢাকায় কর্মরত থাকার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে বিএনপিপন্থী পরিচয় সামনে আনেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জ্যেষ্ঠতার বিধি উপেক্ষা করে ইসলামিক মিশন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, জ্যেষ্ঠতার তালিকায় ১৫ জনের মধ্যে তাঁর অবস্থান ছিল ১৪তম। তাঁর চেয়ে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও চাকরির জ্যেষ্ঠতায় এগিয়ে থাকা একাধিক সিনিয়র মেডিকেল অফিসার থাকা সত্ত্বেও কী প্রক্রিয়ায় তাঁকে পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে পদায়নসংক্রান্ত আদেশ, জ্যেষ্ঠতার তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় অসংগতি দেখা দেওয়ায় বোর্ড অব গভর্ন্যান্সের সভায় তাঁকে তিরস্কার করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে অন্য বিভাগে বদলি করা হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের পূর্ণাঙ্গ নথি ও বাস্তবায়নের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।

ডা. শাহানা আফরোজের বিরুদ্ধে বদলি আদেশ অমান্য করার একটি পুরোনো অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথির বরাত দিয়ে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল ২০১২ তারিখে তাঁকে যাকাত বোর্ড শিশু হাসপাতাল, টঙ্গী থেকে ইসলামিক মিশন, কালীগঞ্জে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি স্থানীয় কার্যালয় থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়কে জানানো হলে প্রশাসন বিভাগ তাঁর কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায়। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ওই নোটিশের জবাব দেননি। পরবর্তী সময়ে ২০১২ সালের জুন মাসে চাকরিবিধি অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফাইল প্রস্তুত ও স্বাক্ষর করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সংশ্লিষ্ট ফাইলের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কেন বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ১৭ জুলাই ২০১২ তারিখে তাঁকে ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বায়তুল মোকাররম, ঢাকায় বদলি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাঁর চেয়ে জ্যেষ্ঠ একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞকে সরিয়ে তাঁকে পদায়ন করার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ পদায়নের প্রেক্ষাপটে তিনি ছুটির আবেদন করেন এবং কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময়ে তাঁর অনুকূলে ভূতাপেক্ষ অর্জিত ছুটি মঞ্জুর করে।

ডা. শাহানা আফরোজের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ না করে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চশিক্ষা কোর্সের পরীক্ষায় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া অংশগ্রহণ করেন এবং এ কারণে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিতি ও অফিস ফাঁকির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তৎকালীন সংশ্লিষ্ট ইসলামিক মিশন পরিচালক জানতে পেরে নিপসন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ২৩ আগস্ট ২০১০ তারিখে ইসলামিক মিশন বিভাগ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রশাসন বিভাগে একটি ইউ-নোট পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি জানার পর তিনি পেছনের তারিখ উল্লেখ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তৎকালীন মহাপরিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজালের কাছে শিক্ষাছুটির আবেদন করেন। ওই আবেদনে তৎকালীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক সুপারিশ করেছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে। আবেদনে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত পরিচয়ের কথা উল্লেখ করে বিষয়টি বিবেচনার জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে তৎকালীন মহাপরিচালক ওই শিক্ষাছুটি মঞ্জুর করেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ইসলামিক মিশন বিভাগে পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে বদলি বাণিজ্য এবং হজ মেডিকেল টিমে সদস্য অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

অভিযোগ রয়েছে, আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে পছন্দের ব্যক্তিদের হজ মেডিকেল টিমে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যক্তিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগও উঠেছে।

এদিকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশের অভিযোগ, পরিচালকের কাছ থেকে তাঁরা নিয়মিত প্রশাসনিক নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন না। ফলে ৫৯টি মিশন, তিনটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম সমন্বয় করতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা। পরিচালকের দাপ্তরিক ভূমিকা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ের একাধিক সূত্রের দাবি, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন দাপ্তরিক সমস্যা নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি তাঁদের কাজের বিষয়ে সহযোগিতার পরিবর্তে ভবিষ্যৎ পদোন্নতি ও রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এমনকি পদোন্নতি নিশ্চিত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাপ্তরিক কাজে আপাতত মহাপরিচালকের কাছে না যাওয়ার কথাও বলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। এসব কারণে বিভাগটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর সচিব সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। অনেক বিষয়ই আমার জানা নেই। তাই এ বিষয়ে এখনই কোনো মতামত দিতে পারছি না।

অন্যদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মহাপরিচালক মুফতী মহিবুল্লাহ হিল বাকি এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এসব অভিযোগের ব্যাপারে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আমার হাতে সঠিক প্রমাণ এলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে ডা. শাহানা আফরোজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি:

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু একটি হিন্দু পরিবারের ২৯ শতাংশ পৈতৃক জমি ও পুকুর জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আলহাজ্ব বি.এন. খান ডিগ্রি কলেজের নাম ব্যবহার করে। কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখলের অপচেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত এবং সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বরিশাল সদর রোডস্থ টাউন হলের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস ও তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাস।

মানববন্ধনে সঞ্জয় চন্দ্র দাস অভিযোগ করেন, তাঁর দাদা নারায়ণ চন্দ্র দাসের সূত্রে পাওয়া ২৯ শতাংশ জমি ও পুকুরটি ১৯৫৯ সাল থেকে তাঁদের পরিবার ভোগদখল করে আসছে। সম্প্রতি কলেজের নাম ব্যবহার করে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখিত মোহাম্মদ আজিজ খান ও মো. হাবিব খানের নেতৃত্বে গভর্নিং বডির সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫), অ্যাডভোকেট মো. আমির হোসেন মিয়া (৬৫), সভাপতি মোহাম্মদ নয়ন মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জন ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, তাঁদের জমি কলেজের সীমানাপ্রাচীরের বাইরে। মাঝখানে সরকারি রাস্তা রয়েছে। এরপরও তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য হিসেবে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
সঞ্জয় জানান, গত ১৪ অক্টোবর প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধপূর্ণ পুকুর পরিষ্কারের কাজ শুরু করলে বাধা দেন তাঁরা। এ সময় তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাসসহ পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর একই ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছিল।

সম্পত্তি রক্ষায় ২০২০ সালে উজিরপুরের সিভিল সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দেওয়ানি মামলা (১৪/২০২০) দায়ের করা হয়। মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৬। এ ছাড়া হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ৪৮৯২/২০২৬, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে মিস কেস নম্বর ১৯৪৭/২০২৬ এবং উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ১৫০ ধারায় ০৭/২০২৬ নম্বরের মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। মিস কেসটির শুনানির তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৬।

ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সঞ্জয় বলেন, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম ঘুষের বিনিময়ে তাঁদের জমি রেকর্ড থেকে বাদ দিয়ে কলেজের সম্পত্তির সঙ্গে একত্র করেছেন। কোনো নোটিশ না দিয়েই জমি কর্তন করে ১৫৪২ নম্বর খতিয়ানে রেকর্ড করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানের গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে অনিয়মের বিষয় উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, সম্পত্তিটি উজিরপুর মৌজায় অবস্থিত। এর জেএল নম্বর ৯২, এসএ খতিয়ান ৭৮৮ ও ৭৮৯, এসএ দাগ ১৩৪, বিএস খতিয়ান ১৩৫৫ এবং বিএস দাগ ১৯৬৩। এ ছাড়া আরএস খতিয়ান ২২১ ও ২২৩ এবং ডিপি খতিয়ান ১৩৫৫-এর সঙ্গে সম্পত্তিটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

মানববন্ধন থেকে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভূমি রেকর্ডের অনিয়ম তদন্ত এবং পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগের সুষ্ঠু ও যথাযথ তদন্ত করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

বাপ্পি আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড়সহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করেছে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি’র) সদস্যরা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২৬) সকালে উপজেলার আমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমতলী এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়।

এ সময় বিজিবির টহলদল গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক রাস্তা পরিবর্তন করে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কাভার্ড ভ্যানটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। পরে কাভার্ড ভ্যানটিতে তল্লাশি করে ৯ হাজার ২৭৮ মিটার ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড় উদ্ধার করা হয়।

আটক করা কাপড় ও কাভার্ড ভ্যানের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা। উদ্ধার করা চোরাচালানি মালামাল ও কাভার্ড ভ্যান আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি’র অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ক্ষমতার পালাবদল, বদলায় শুধু পরিচয়! ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী, বর্তমানেও বহাল তবিয়তে —শাহানা আফরোজের খুঁটির জোর কোথায়? উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ