খুঁজুন
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

বহুরূপী একজন ডাঃ দোলন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫, ২:২৬ অপরাহ্ণ
বহুরূপী একজন ডাঃ দোলন

মারুফ সরকার, প্রতিবেদক :

ফ্যাসিস্ট আওয়ামি সরকারের ক্ষমতার প্রভাবে ডাঃ কাজী মাজহারুল ইসলাম দোলনের বিরুদ্ধে চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএমসিএইচ এবং বিএমএসআরআই-এর ব্যাপক দুর্নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক দখল এবং ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার ভয়ঙ্কর চিত্র উন্মোচিত হয়েছে. তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাপ প্রয়োগ করে চেয়ারম্যান পদ দখল এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি, ছাত্রদের পরিক্ষায় ফেল ও মার্কশীট ডীন অফিস থেকে গায়েব করার হুমকিসহ বানোয়াট প্রমাণ তৈরি ও ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে.

রাজনৈতিক পরিচয়ের দ্বৈত খেলা:

ডাঃ দোলনের এই কর্মকাণ্ডকে বিশ্লেষণে দেখা যায় তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে এক দ্বৈত খেলা খেলছেন। আওয়ামি দোষর আমলে আব্দুর রাজ্জাকের বিশ্বস্ত সহচর মেজর জেনারেল মো: রফিকুল ইসলাম (বিডিআর হত্যা মামলার টেম্পারিং করার অভিযোগে অভিযুক্ত), ইন্জিনিয়ার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, প্রিন্সিপাল পরিতোষ কুমার ঘোষ, ভাইস প্রিন্সিপাল ডা: দবির হোসেন(সাচিপ প্রেসিডেন্ট) সহ আব্দুর রাজ্জাকের ভাতিজা এবং বিসিএল নেতা নাভিদ আনজুম নিলিমের মতো ব্যক্তিদের নিয়েই এখনও বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ ও হসপিটালে অনিয়মতান্ত্রিক হস্তক্ষেপ করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার করছেন ডক্টর দোলন. ডক্টর দোলনের সাথে এই সকল আওয়ামি দোসরদের উপস্থিতি দেখা যায় সর্বদা, যা তার আওয়ামী বলয়ে প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, নিজেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের “বিশ্বস্ত হাতিয়ার” হিসেবে প্রচার করেন। শফিক আহসান নামক এক ব্যক্তির ৩০শে এপ্রিলের লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি৩-এর নির্বাচনে ডাঃ দোলনকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে তার জন্য ভোট চাওয়া হয়, যেখানে তারেক রহমানের অসুস্থতা ও দুর্বলতার ছবি ব্যবহার করে ভোট আদায়ের এক ন্যক্কারজনক কারসাজির আশ্রয় নেওয়া হয়। এই দ্বিচারিতা এবং সুযোগসন্ধানী রাজনৈতিক কৌশল ডাঃ দোলনের ক্ষমতার অপব্যবহারের মূল ভিত্তি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই, ডক্টর দোলন মনোনয়ন পাওয়ার দুই মাস আগে থেকেই তিনি ফেইসবুকে নানা ধরনের কুরুচি ও কটূক্তি মুলক মন্তব্য করা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে অত্র কলেজের গভর্নিংবডির চেয়ারম্যান নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার পর উনি যেরকম আইন বহির্ভূতকার্যকলাপ শুরু করেন, তা ইতিপূর্বে কোন চেয়ারম্যান দ্বারা সংগঠিত হয় নাই। গভর্নিং বডিতে দুইজন ইলেক্টেড শিক্ষক প্রতিনিধিকে বাদ দিয়ে উনি নিজের ইছামতন শুধুমাত্র মানহীন তোষামদকারীদের নিয়োগ দেন. ঢাকা ভার্সিটির ডিন এর সাইন ছাড়াই প্রমোশন ও নিয়োগ প্রদানকরেছেন। ২০ বছরের অভিজ্ঞ শিক্ষকদেড় আন্ত-ডিপার্টমেন্টাল বদলী করেযাচ্ছেন স্ব স্ব বিভাগীয় প্রধানদের অগোচরে হচ্ছে। উনার খারাপ কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ/ মত প্রকাশ করলে তাদের কে অকথ্য ভাষায়গালিগালাজ এবং চাকরী খেয়ে দেয়ার হুমকী, এমনকি জীবন নাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন অভিযোগ রয়েছে।ডক্টর আবরার, ডক্টর আদনান, ডক্টর ফরজানা মাকসুদ রুনা ডক্টর ফারজানা (জুলাই ২৪ অভ্যুত্থানের একজন সম্মুখ যোদ্ধা)কে শুধু মতামত প্রকাশ কড়ায় অন্যায়ভাবে তুচ্ছ কারণ দেখিয়ে ব্যক্তিগত আক্রোশ এর জেড় ধরে চাকুরিচ্যুত/ সাময়িক বরখাস্ত/ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ কথা রটিয়ে মানহানি করার মতোন স্বৈরাচারীতা করেছেন ডা.দোলন। ডা.দোলন জুলাই যোদ্ধা ফারজানা মাকসুদ রুনাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সাময়িক বরখাস্থের তদন্ত কমিটি করান সাচিপ প্রেসিডেন্ট ডা দবির হোসেনকে দিয়ে. ডা দবির হোসেনকে কনসালটেন্ট হিসেবে এক্সটেনশনও দেন সাচিপ প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরও. অপরদিকে ফখরুল ইসলামকে DAB এর সভাপতি হওয়ার পরও এক্সটেনশন না দিয়ে উল্টো উনার রুম ভেঙ্গে অন্যদের বরাদ্দ দিয়ে দেয়া হয়. মহিলা টিচারদের সাথে উনি চরম দুর্ব্যবহার করেন, তাঁরাও গালি এবং অশ্লীল ভাষা থেকে রেহাই পায়নি । সিনিয়ার প্রফেসরদের সাথে তুই – তোকারি করে কথা বলেন এবং নির্দিস্ট ১০-১২ জন অনুসারীদের নিয়ে গুন্ডাবাহিনী তৈরী করে ত্রাসের রাজত্বসৃষ্টি করে ! ওনার জুনিয়র ক্যাডার বাহিনী দ্বারা কলেজের তিনজন শিক্ষক কে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করেছেন এবং বিভিন্ন শিক্ষকদের নামে মিথ্যা মামলা করেন। জুনিয়ার ক্যাডার বাহিনীকে লেলিয়ে দেন টিচারদের প্রকাশ্যে বিভিন্ন ভাবে অপমান, উত্যক্ত, মন্তব্য ও পোস্টটারিং করেন। ডা:শাকিল, ডা: ফয়সাল, ডা:মন্ডল, ডা:ফুয়াদ, ডা: মুহিব, ডা:মেহনাজ,ডা:দিবা, ডা: হাসিনা, ডা: গিয়াস, ডা: জিয়া, ডা: নিলিম, ডা: আদেল, ডা: শিব্বীর সহ অনেকে তার অপকমের্র স্বরাসরী মদত ও ইন্ধনদাতা. প্রতিষ্ঠানের বাইরেও কিছু চিকিৎসক উনার অনুসারী হওয়ায় তাদেরকে নিয়মনীতি অমান্য করে নিয়োগ দিচ্ছেন গভর্নিং বডির অনুমোদন ছাড়াই.
উনার বিরুদ্ধে গেলে ছাত্রদের পরীক্ষায় কেউ পাশ করলেও তাঁকে ডীন অফিস থেকে ফেল করানো হবে, মার্ক শিট গায়েব বলে প্রতিনিয়ত হুমকি প্রদান করেন ! উনার অনুগত প্রিন্সিপালকেঁ দিয়ে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান কলেজ এবং হাসপাতালে নিয়ম ভেঙে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রচুর শিক্ষক ও ডাক্তার নিয়োগ দিয়েছেন। এমনকি কেনাকাটাতেও অনৈতিক সুবিধা আদায় করেছেন । ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচরীদেরও উনি উদাহরণ স্থাপনের জন্য ভয় ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে চাকুরিচ্যুত ও বেতন ও ভাতা বন্ধ করেন.

তিনি আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন লায়ন্স ক্লাবের নির্বাচন ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি৩-এর ২৯তম বার্ষিক ডিস্ট্রিক্ট কনভেনশনকে কেন্দ্র করে, যা গত ৯ই মে, ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ডাঃ দোলন তৎকালীন জেলা গভর্নর সাব্বির রহমান সায়েমকে সঙ্গী করে যিনি নিজেই আর্থিক লোপাট ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং বর্তমানে পলাতক, তার সাথে এবং কেবিনেট সেক্রেটারি ও ট্রেজারারের সাথে এক গোপন আঁতাত গড়ে তোলেন। পরিশেষে আমেরিকান অবজার্ভার ৯ই মে বিকালে লায়ন্স ডামি নির্বাচন বাতিল করেন।সর্বশেষ গত ২৯শে মে লায়ন্স পুনঃনির্বাচনে ডাঃ দোলন শুধুমাত্র ৩ ভোট পেয়েছে ১২৯ ভোটের মাঝে এবং পরাজিত হয়েছে.তবুও সে নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করে নিজের ফেইসবুক দিয়েছে যা এক রকম প্রতারণা ও জালিয়াতি।

সম্ভাব্য পরিণতি:
ডক্টর মাযহারুল ইসলাম দোলন গত সেপ্টেম্বর ২০২৪ এ বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ এ নিয়োগ জোড়পূবর্ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নাম ব্যাবহার করে নিয়োগ পান. যার মেয়াদ ১৪ই জুন ২০২৫ এ শেষ. কিন্তু উনি বিভিন্ন মহলকে তার মিথ্যা উন্নয়ণের গল্প শুনিয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ এ আবারও নিয়োগ বৃদ্ধির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন যা বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিবেন বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিচ্ছেন. ঢাবি ভিসি, প্রো ভিসি, ইন্সপেক্টর, ডিন যদি ডাঃ দোলনের মতো বিতর্কিত ব্যক্তিদের আবারও বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজে নিয়োগ দেন,তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা এবং সংগঠনের স্বচ্ছতা চিরতরে হারিয়ে যাবে।

ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকির অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহের প্রয়াত ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মালিতার পরিবারের জমিজমা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে গত বুধবার ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তাঁর একমাত্র পুত্র ও মানবাধিকারকর্মী আনোয়ারুজ্জামান আজাদ।

সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ শহরের পৌরসভা গেট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন আনোয়ারুজ্জামান আজাদ। তাঁর অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তাঁর ইন্টারনেট ব্যবসা ও জমিজমার ওপর স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর নজর পড়ে। ওই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজল মোল্ল্যা রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এরপর থেকে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘আমি আমার পরিবারের একমাত্র সন্তান। উত্তরাধিকারসূত্রে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি পেয়েছি। আমার অভিযোগ, কাজলসহ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নজর এসব সম্পত্তির ওপর পড়েছে। তারা হুমকি-ধমকি দিয়ে আমার সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এমনকি আমাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আমি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।’

অভিযোগের বিষয়ে কাজল মোল্ল্যার বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর কার্যালয়ে গিয়েও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাউদজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট থানা সূত্রে জানা গেছে।

মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার  উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে  ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধ:

**সম্পুর্ন অরাজনৈতিক দ্বীনি আধ্যাত্মিক সংগঠন মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলে প্রবাসী রাজনীতিবিদ আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ**

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে মদিনার জামাত, মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে মালদ্বীপের রাজধানী মালের সি বিল্ডিং অডিটোরিয়ামে এ ওয়াজ,দোয়া মাহফিল ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার আয়োজিত এ মাহফিলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার আহ্বায়ক মোঃ আল আমিন এর পরিচালনায় মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও মুফাসসিরে কুরআন এবং বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড ও দেশ টিভির ইসলামিক আলোচক আলহাজ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন কবীর ইউছুফী,পীর সাহেব মদিনার জামাত কদমতলী শাহী দরবার শরীফ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সভাপতি, মালদ্বীপ বিএনপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ বি এন পির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম, মালদ্বীপ বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ নেহের মিয়া রানা, সহ-সভাপতি, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি; মোঃ মুক্তার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; মোহাম্মদ মাহামুদুল হাসান কালাম
সহ সাংগঠনিক আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক মিয়া বি- বাড়িয়া সংগঠন, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মোঃ আলমগীর সিকদার।
মালদ্বীপস্থ ঢাকা ট্রেডার্সসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত মাহফিলে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবুল হোসেনের সমন্বয়ে মাহফিলে আরো
উপস্থিত ছিলেন মোঃ আরিফুর ইসলাম, সভাপতি পদপ্রার্থী মালদ্বীপ যুবদল, মোঃ মাসুদ মুন্না আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক দল মালদ্বীপ শাখা এবং মোঃ আবু আহমেদ সেলিম মিয়া, প্রবাসী ব্যবসায়ী, মালদ্বীপ।

আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ নুরুন্নবী মানিক,ব্যবসায়ী মো হারুন মিয়া মোঃ মাহফুজুর রহমান মোঃ রমো মিয়া, মোঃ জানে আলম সুন্নী ও মোঃ হাফিজুর রহমান ।
মাহফিলে কোরআন ও হাদিসের দৃষ্টিকোন থেকে আলোচনা পেশ করেন হযরত মাওলানা মোঃ মাসুম বিল্লাহ, হযরত মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম, হযরত মাওলানা হাফেজ মোঃ ইসরাফিল হোসেন, হযরত মাওলানা মোঃ আঃ হান্নান, হযরত মাওলানা হাফেজ মোঃ রিফাতুল ইসলাম এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন, খাদেম, মদিনার জামাত মালদ্বীপ ও মোঃ নুরুল আমিন সুন্নি ।

মাহফিলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও ইসলামের শান্তির বার্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা প্রবাসী জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মানবিক দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে মালদ্বীপে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সবশেষে সকল কবর বাসী, দেশ জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নানের ভাই আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীকে পূর্বশত্রুতার জেরে অপহরণ, সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন ও গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী গত ১০ সেপ্টেম্বর ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে মামলা দায়েরের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজন ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী নিজ ব্যবসায়িক কাজে অবস্থানকালে পূর্বশত্রুতার জেরে একদল ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও গণমাধ্যম কর্মীরা তৎপর হয়ে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাদের সহযোগিতায় আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ঘটনার পর তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেন।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী গত ১০ সেপ্টেম্বর ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা দায়েরের পর থেকেই তাকে এবং তার ভাই সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নান কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ফেনী সদর উপজেলার আহ্বায়ক নিজাম পাটোয়ারী, ১ নং বিবাদী দেলোয়ার হোসেন টুকু, ২ নং বিবাদী মোঃ সবুজ, ইতিমধ্যে ঘটনার জেরে বহিষ্কৃত কৃষক দল নেতা ৩নং বিবাদী মোঃ আমিনুল হক গং দের নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সামাজিক ও পেশাগত ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় আব্দুল মান্নান ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুধু ভুক্তভোগী ও তার ভাইকে হুমকি দেওয়ার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ নেই বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর দায়ের করা মামলার সাক্ষীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি, চাপ সৃষ্টি এবং ভিন্ন পন্থায় প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার সাক্ষীরা যাতে নিরপেক্ষ ভাবে তাদের বক্তব্য দিতে না পারেন এবং আইনি প্রক্রিয়া যাতে বাধাগ্রস্ত হয়, সে উদ্দেশ্যেই এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ কারীদের দাবি। তারা বলেন, কোনো মামলার বাদী, তার পরিবার কিংবা সাক্ষীদের ওপর চাপ বা হুমকি সৃষ্টি করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. গোলাম ফারুক মজনু এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ। এক প্রতিবাদ বার্তায় তারা বলেন, একজন সাংবাদিক নেতার ভাইকে অপহরণ, তার সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক অর্থ নিয়ে যাওয়া এবং মুক্তিপণ দাবি করার মতো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর ও উদ্বেগজনক। এর পর মামলা দায়ের করায় বাদী ও তার ভাইকে হত্যার হুমকি দেওয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো এবং মামলার সাক্ষীদের হয়রানি করার অভিযোগ আরও বেশি উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

এসএসপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘটনাটিকে কোনো ভাবেই রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যার হুমকি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার কিংবা মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ, প্রতিটি বিষয় নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। তারা ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, সাংবাদিক আব্দুল মান্নান এবং মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও ভূমিকা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা সাংবাদিক সমাজকে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ট্রাব) সভাপতি মো. কাদের মনসুরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, একজন নাগরিককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা, মামলা দায়েরের পর বাদী ও তার স্বজনদের হুমকি দেওয়া এবং সাক্ষীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, এসব অভিযোগ কোনো ভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সামাজিক প্রভাব যেন আইনের স্বাভাবিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং একই সঙ্গে নির্দোষ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা মনে করেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব এবং এর মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার যেমন ন্যায়বিচার পাবে, তেমনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিও মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে যুবদল ফেনী সদর উপজেলার আহ্বায়ক নিজাম পাটোয়ারী কিংবা অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিক ভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করবে এবং কোনো ধরনের হুমকি, হয়রানি বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকির অভিযোগ মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীকে চাঁদা ও জমি দখলের হুমকির অভিযোগ ফেনীতে কৃষকদল নেতা আমিনুল হক বহিষ্কার