খুঁজুন
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১ আশ্বিন, ১৪৩৩

অন্যায়ভাবে মধুমতি মডেল টাউনকে বাস্তুচ্যুত করতে চাইলে ২০ হাজার শিশু-নারী-পুরুষ আত্মাহুতি দিতে পিছপা হব না”

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অন্যায়ভাবে মধুমতি মডেল টাউনকে বাস্তুচ্যুত করতে চাইলে ২০ হাজার শিশু-নারী-পুরুষ আত্মাহুতি দিতে পিছপা হব না”

বিশেষ প্রতিনিধি:

অন্যায়ভাবে বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিলে ২০ হাজার শিশু-নারী-পুরুষ আত্মাহুতি দিতে পিছপা হব না।

বৃহস্পতিবার ২৬ ডিসেম্বর ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটি নসরুল হামিদ মিলনায়তনে মধুমতি মডেল টাউন হাউসিং সোসাইটির প্লট মালিক ও বাসিন্দাদের সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এই কথা বলেন।

ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোশারফ হোসেন বলেন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে যে নতুন বাংলাদেশ-এর অভ্যুদয়, সেখানে মধুমতিবাসী যে চরম বৈষম্যের শিকার সেই করুণ কাহিনী, আড়ালে-আবডালে নয়,খোদ ঢাকা-আরিচা হাইওয়ের পাশেই ২০০১ সালে মধুমতি মডেল টাউন নামক আবাসন প্রকল্প গড়ে ওঠে। আবাসন এলাকাটিতে স্থানীয় জনসাধারণ ধান ও পাট চাষ করতেন। কেউবা জমির মাটি বিক্রি করে বেশী আয় করতেন। ফলে স্থানে স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়। মধুমতির উদ্যোক্তা Metro Makers and Developers Limited সেই সময় বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর প্রথম ও শেষ পাতায় বিজ্ঞাপন প্রচার করতেন। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া গুলোতেও সমভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো। প্রকল্প এলাকার হাইওয়ের পাশেই স্থাপন করা হয় বিশাল বিশাল বিলবোর্ড, ব্যানার, প্রচার করা হয় লিফলেট। রাতারাতি নয় দীর্ঘ সময় নিয়ে Metro Makers জমি ভরাট করে আবাসনটি গড়ে তোলে। সে সময় কোন মিডিয়া, সরকারী বা বেসরকারি সংস্থা প্রকল্প স্থাপনে বাধা সৃষ্টি করেনি। এছাড়া জমির সিএস, আর.এস, এস.এ খতিয়ানে দেখা গেছে যে, জমির প্রকৃতি হলো-নাল, জলাশয় নয়। এমনি পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষেরা মাথা গোঁজার ঠাই হিসেবে মধুমতিতে জমি ক্রয় করি। যথারীতি সরকারের সাব রেজিস্ট্রার নির্বিঘ্নে জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। জমি রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে সরকার ১০০০ কোটি টাকার উপরে রাজস্ব পান। এসিল্যান্ড জমি খারিজ করেন ও ভূমি অফিস ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণ করেন। আমাদের প্রশ্ন এখানে প্লট ক্রয়কারী হিসাবে আমাদের অপরাধ কোথায়? অতঃপর ডেভেলপার কোম্পানি রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ নির্মাণ করেন ও বৈদ্যুতিক পোল বসান। পল্লি বিদ্যুৎ- বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করেন। বর্তমানে পল্লি বিদ্যুৎ এ আবাসন থেকে প্রতি মাসে ১৮-২০ লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ বিল আদায় করেন। অতীব দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, হঠাৎ করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবীদ সমিতি (বেলা) এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের অশুভ দৃষ্টি পড়ে মধুমতি মডেল টাউনের প্রতি। তিনি প্রকল্পটিকে বন্যা প্রবাহ এলাকা উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদন করেন। মাননীয় হাইকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়ে মধুমতি মডেল টাউনের মালিক মেট্রোমেকার্সকে রাজউকের অনুমোদন নিতে বলে। সেখানে বেলা ক্ষ্যান্ত না হয়ে আপিলেট ডিভিশনে আপীল করেন এবং সেখানে প্রভাব খাটিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের আজ্ঞাবহ বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে বেলার পক্ষে একটি রায় করান। সেই রায়েও প্লট মালিকদের স্বার্থ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। ওই রায়ে বলা হয়েছে, মধুমতি মডেল টাউন প্রকল্প এলাকায় মালিক কর্ত্রীপক্ষ মেট্রোমেকার্স যদি ৬ মাসের মধ্যে মাটি সরিয়ে না নেয় তাহলে রাজউক উক্ত মাটি সরিয়ে নেয়ার আদেশ দিয়েছে এবং মেট্রোমেকারস থেকে মাটি সরানোর খরজ আদায় করতে বলেছে এবং সেখানে কোনধরনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। একই রায়ে প্লট মালিকদের রেজিস্ট্রেশন ব্যয়সহ জমাকৃত অর্থের দ্বিগুন টাকা পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। অথচ একযুগ অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি ক্ষতিপুরণের একটি টাকাও পরিশোধ না করে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উপদেষ্টা হয়ে তার প্রভাব বিস্তার করে রাজউককে দিয়ে আমাদেরকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি মধুমতি মডেল টাউনের কাছে বিনামূল্যে ৮ টি প্লট চেয়েচিলেন কিন্তু বিনামূল্যে তিনি প্লট পাননি।তাই ব্যাক্তিগত আক্রোশে আমরা মনে করি এই মামলা তিনি দায়ের করেন। আমাদের একটাই দাবী এই বৈষম্য বিরোধী রায় পরিবর্তন করে আমাদের বসতভিটা রক্ষা করে আমাদের মাথাগোঁজার ঠাই রক্ষা করা হোক।

তিনি বলেন, মধুমতি মডেল টাউনের পূর্বপাশে ৫০০ বিঘা জমিতে বিদ্যুতের পাওয়ার প্লান্ট, পশ্চিমে বেসকারি মালিকানাধীন যমুনা ন্যাচারাল পার্ক (প্রায় ৫০ একর), প্রকল্পের সুম্মুখভাগে এক হাজার একর জমিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ভাগাড় রয়েছে। সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প তৈরির জন্য একটি চাইনিজ প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও মেট্রোরেলের ডিপো অবস্থিত। এছাড়াও আরও বেশ কিছু স্থাপনা রয়েছে এই এলাকায়। এ বিষয়ে বেলা বা অন্য কারও কোন অভিযোগ নেই। শুধু মধুমতি মডেল টাউনের দিকে তাদের যতো আক্রোশ ও প্রতিহিংসা। অথচ এই প্রকল্পের অনুমোদন এর জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ৯টি ছাড়পত্রের মধ্যে ৮টি ছাড়পত্র গ্রহণ করা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে এখানে। ৩ হাজারের বেশি ছোট বড় স্থাপনা রয়েছে। যখন রায় দিয়েছে তখনকার পরিস্থিতি এবং ববর্তমান পরিস্থিতি এক নয়। প্রকল্পে ১০ লাখের বেশি গাছ রয়েছে। একটি গাছ কাটলে বেলা আন্দোলন করে অথচ এই প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলে ১০ লাখের বেশি গাছ কাটা যাবে। এটা কি পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনবে না? লক্ষাধিক মানুষকে বাস্তুচ্যুত করা কি মানবাধিকার লংঘন নয়? অন্যান্য স্থাপনা রেখে কেবল মাত্র মধুমতি উচ্ছেদ চরম বৈষম্যের উদাহারণ নয় কি? ১০ লাখ এর বেশী গাছ ধ্বংস করা কি ধরনের পরিবেশ রক্ষা?

তিনি আরো বলেন, আশিয়ান সিটি, পূর্বাচল,জলসিড়ি, বসুন্ধরা, ঝিলমিল, আফতাব নগর, বনস্ত্রী, ঢাকা ও চন্দ্রিমা উদ্যান, বসিলা সিটি সবই নিচু এলাকা ভরাট করে গড়ে উঠেছে। তাই আমরা মনে করি বেলা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের কোন মহলের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে বিতর্কিত সাবেক প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বিচার ব্যবস্থার দ্বারা আমরা বৈষম্যের শিকার হয়েছি। আমরা এর প্রতিকার চাই। উল্লেখ্য যে ইতোমধ্যে মেট্রো মেকারস রায়ের মডিফিকেশন চেয়ে চেম্বার জজ আদালতে ১১/১২/২০২৪ ইং তারিখ এ একটি আবেদন করেছে। মাননীয় চেম্বার জজ জনাব রেজাউল হক ২৩/০১/২০২৫ ইং তারিখ ফুল কোর্টে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী কালিন সরকার লক্ষাধিক মানুষের ভাগ্য, তাদের অধিকার, মাথা গোঁজার ঠাইটুকু কেড়ে না নিয়ে মধুমতি মডেল টাউনে আমাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনয় এবং দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, আমাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হলে, অন্যায়ভাবে বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিলে ৫০ হাজার শিশু ও নারী,পুরুষ আত্মাহুতি দিতে পিছপা হব না।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোশারফ হোসেন, উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ, সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল সাত্তার সহ মধুমতি মডেল টাউন হাউসিং সোসাইটির সদস্যসহ নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটি র পরিচালক মোঃ লোকমান হোসেন।

ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকির অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

ঝিনাইদহের প্রয়াত ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মালিতার পরিবারের জমিজমা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে গত বুধবার ঝিনাইদহ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তাঁর একমাত্র পুত্র ও মানবাধিকারকর্মী আনোয়ারুজ্জামান আজাদ।

সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ শহরের পৌরসভা গেট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন আনোয়ারুজ্জামান আজাদ। তাঁর অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তাঁর ইন্টারনেট ব্যবসা ও জমিজমার ওপর স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর নজর পড়ে। ওই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজল মোল্ল্যা রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এরপর থেকে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘আমি আমার পরিবারের একমাত্র সন্তান। উত্তরাধিকারসূত্রে বেশ কিছু মূল্যবান সম্পত্তি পেয়েছি। আমার অভিযোগ, কাজলসহ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নজর এসব সম্পত্তির ওপর পড়েছে। তারা হুমকি-ধমকি দিয়ে আমার সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এমনকি আমাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আমি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।’

অভিযোগের বিষয়ে কাজল মোল্ল্যার বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর কার্যালয়ে গিয়েও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাউদজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট থানা সূত্রে জানা গেছে।

মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার  উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে  ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ আল আমিন মালদ্বীপ প্রতিনিধ:

**সম্পুর্ন অরাজনৈতিক দ্বীনি আধ্যাত্মিক সংগঠন মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলে প্রবাসী রাজনীতিবিদ আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ**

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে মদিনার জামাত, মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে মালদ্বীপের রাজধানী মালের সি বিল্ডিং অডিটোরিয়ামে এ ওয়াজ,দোয়া মাহফিল ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার আয়োজিত এ মাহফিলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার আহ্বায়ক মোঃ আল আমিন এর পরিচালনায় মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ও মুফাসসিরে কুরআন এবং বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড ও দেশ টিভির ইসলামিক আলোচক আলহাজ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন কবীর ইউছুফী,পীর সাহেব মদিনার জামাত কদমতলী শাহী দরবার শরীফ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সভাপতি, মালদ্বীপ বিএনপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ বি এন পির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম, মালদ্বীপ বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ নেহের মিয়া রানা, সহ-সভাপতি, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি; মোঃ মুক্তার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; মোহাম্মদ মাহামুদুল হাসান কালাম
সহ সাংগঠনিক আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক মিয়া বি- বাড়িয়া সংগঠন, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মোঃ আলমগীর সিকদার।
মালদ্বীপস্থ ঢাকা ট্রেডার্সসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত মাহফিলে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবুল হোসেনের সমন্বয়ে মাহফিলে আরো
উপস্থিত ছিলেন মোঃ আরিফুর ইসলাম, সভাপতি পদপ্রার্থী মালদ্বীপ যুবদল, মোঃ মাসুদ মুন্না আহ্বায়ক, স্বেচ্ছাসেবক দল মালদ্বীপ শাখা এবং মোঃ আবু আহমেদ সেলিম মিয়া, প্রবাসী ব্যবসায়ী, মালদ্বীপ।

আরো উপস্থিত ছিলেন মোঃ নুরুন্নবী মানিক,ব্যবসায়ী মো হারুন মিয়া মোঃ মাহফুজুর রহমান মোঃ রমো মিয়া, মোঃ জানে আলম সুন্নী ও মোঃ হাফিজুর রহমান ।
মাহফিলে কোরআন ও হাদিসের দৃষ্টিকোন থেকে আলোচনা পেশ করেন হযরত মাওলানা মোঃ মাসুম বিল্লাহ, হযরত মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম, হযরত মাওলানা হাফেজ মোঃ ইসরাফিল হোসেন, হযরত মাওলানা মোঃ আঃ হান্নান, হযরত মাওলানা হাফেজ মোঃ রিফাতুল ইসলাম এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন, খাদেম, মদিনার জামাত মালদ্বীপ ও মোঃ নুরুল আমিন সুন্নি ।

মাহফিলে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবন, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও ইসলামের শান্তির বার্তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা প্রবাসী জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মানবিক দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে মালদ্বীপে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সবশেষে সকল কবর বাসী, দেশ জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নানের ভাই আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীকে পূর্বশত্রুতার জেরে অপহরণ, সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন ও গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী গত ১০ সেপ্টেম্বর ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে মামলা দায়েরের পর পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজন ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী নিজ ব্যবসায়িক কাজে অবস্থানকালে পূর্বশত্রুতার জেরে একদল ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক টাকা নিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও গণমাধ্যম কর্মীরা তৎপর হয়ে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তাদের সহযোগিতায় আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ঘটনার পর তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেন।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী গত ১০ সেপ্টেম্বর ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা দায়েরের পর থেকেই তাকে এবং তার ভাই সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নান কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ফেনী সদর উপজেলার আহ্বায়ক নিজাম পাটোয়ারী, ১ নং বিবাদী দেলোয়ার হোসেন টুকু, ২ নং বিবাদী মোঃ সবুজ, ইতিমধ্যে ঘটনার জেরে বহিষ্কৃত কৃষক দল নেতা ৩নং বিবাদী মোঃ আমিনুল হক গং দের নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের সামাজিক ও পেশাগত ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় আব্দুল মান্নান ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুধু ভুক্তভোগী ও তার ভাইকে হুমকি দেওয়ার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ নেই বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর দায়ের করা মামলার সাক্ষীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি, চাপ সৃষ্টি এবং ভিন্ন পন্থায় প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার সাক্ষীরা যাতে নিরপেক্ষ ভাবে তাদের বক্তব্য দিতে না পারেন এবং আইনি প্রক্রিয়া যাতে বাধাগ্রস্ত হয়, সে উদ্দেশ্যেই এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ কারীদের দাবি। তারা বলেন, কোনো মামলার বাদী, তার পরিবার কিংবা সাক্ষীদের ওপর চাপ বা হুমকি সৃষ্টি করা হলে তা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. গোলাম ফারুক মজনু এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ। এক প্রতিবাদ বার্তায় তারা বলেন, একজন সাংবাদিক নেতার ভাইকে অপহরণ, তার সঙ্গে থাকা ব্যবসায়িক অর্থ নিয়ে যাওয়া এবং মুক্তিপণ দাবি করার মতো অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর ও উদ্বেগজনক। এর পর মামলা দায়ের করায় বাদী ও তার ভাইকে হত্যার হুমকি দেওয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো এবং মামলার সাক্ষীদের হয়রানি করার অভিযোগ আরও বেশি উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

এসএসপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘটনাটিকে কোনো ভাবেই রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি, হত্যার হুমকি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার কিংবা মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ, প্রতিটি বিষয় নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। তারা ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, সাংবাদিক আব্দুল মান্নান এবং মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও ভূমিকা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা সাংবাদিক সমাজকে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ট্রাব) সভাপতি মো. কাদের মনসুরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, একজন নাগরিককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা, মামলা দায়েরের পর বাদী ও তার স্বজনদের হুমকি দেওয়া এবং সাক্ষীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, এসব অভিযোগ কোনো ভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সামাজিক প্রভাব যেন আইনের স্বাভাবিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং একই সঙ্গে নির্দোষ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা মনে করেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব এবং এর মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার যেমন ন্যায়বিচার পাবে, তেমনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিও মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে যুবদল ফেনী সদর উপজেলার আহ্বায়ক নিজাম পাটোয়ারী কিংবা অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিক ভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করবে এবং কোনো ধরনের হুমকি, হয়রানি বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ঝিনাইদহে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি দখলের হুমকির অভিযোগ মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত অপহরণ মামলার পর সাংবাদিক ও তার ভাইকে হত্যার হুমকির অভিযোগ ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীকে চাঁদা ও জমি দখলের হুমকির অভিযোগ ফেনীতে কৃষকদল নেতা আমিনুল হক বহিষ্কার