খুঁজুন
, ,

দৈনিক সাগরকূলের অনলাইন পোর্টাল সকল নিয়মনীতি মেনে পরিচালনার চেষ্টা করছেন যা প্রশংসার দাবী রাখে: ম. জাভেদ ইকবাল, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার, পিআইডি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
দৈনিক সাগরকূলের অনলাইন পোর্টাল সকল নিয়মনীতি মেনে পরিচালনার চেষ্টা করছেন যা প্রশংসার দাবী রাখে: ম. জাভেদ ইকবাল, সিনিয়র  উপপ্রধান তথ্য অফিসার, পিআইডি

বিশেষ প্রতিনিধি:

বরগুনার থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাগরকূল এবং অনলাইন পোর্টাল সাগরকূলডটকম এর কার্যালয় শুক্রবার দুপুর ১২টায় পরিদর্শনকালীণ মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট-পিআইডি’র সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল বলেন যে, দৈনিক সাগরকূলের অনলাইন পোর্টাল সকল নিয়মনীতি মেনে পরিচালনার চেষ্টা করছেন যা প্রশংসার দাবী রাখে। তিনি দৈনিক সাগরকূলের প্রিন্টিং প্রকাশনা এবং অনলাইন পোর্টাল নিয়মিত চালু থাকায় সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বরগুনা জেলা থেকে প্রকাশিত “দৈনিক সাগরকুল” এবং অনলাইন পোর্টাল সাগরকূলডটকম-এর অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ হলো শুক্রবার দুপুরে। বাংলাদেশ সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট-পিআইডি’র উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল উক্ত সংবাদপত্রের কার্যালয় পরিদর্শন করেন। মূলত অনলাইন মিডিয়ার মান উন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংবাদ প্রচারের অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করতেই এই সফরের আয়োজন করা হয়।
এই বিশেষ পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট-পিআইডি’র সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বরগুনা জেলা তথ্য অফিসার সেলিম মাহমুদ, বাংলাদেশ সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট-পিআইডি’র সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন খোন্দকার, স্টোর সহকারী মীর তারেক হোসেন।
পরিদর্শনের সময় দৈনিক সাগরকুল-এর সম্পাদক-প্রকাশকসহ অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। আলোচনায় উঠে আসে-দৈনিক সাগরকূলের প্রিন্টিং প্রকাশনা এবং অনলাইন পোর্টালটি কীভাবে নীতিমালা অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছে, কীভাবে তা সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরছে এবং কীভাবে তৃণমূল সাংবাদিকতার একটি প্রামাণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ম. জাভেদ ইকবাল তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “মফস্বল পর্যায়ে এত কার্যকর এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের চিত্র আমরা খুব কমই দেখতে পাই। দৈনিক সাগরকুল একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে, যা ভবিষ্যতের অনলাইন সাংবাদিকতার জন্য একটি পথ দেখাবে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকতার চেহারাও পরিবর্তিত হচ্ছে। অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকাগুলোর দায়িত্ব আরও বেড়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে দৈনিক সাগরকূল এর মত একটি পত্রিকার দায়িত্বশীল এবং নিয়মনীতি নির্ভর কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয়।”
বরগুনা জেলা তথ্য অফিসার সেলিম মাহমুদ দৈনিক সাগরকূল পত্রিকাটির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
এছাড়াও উপস্থিত সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন খোন্দকার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “তৃণমূল পর্যায়ে এমন একটি উদ্যোগ বাংলাদেশে অনলাইন সাংবাদিকতার প্রতি মানুষের আস্থা এবং নির্ভরতা আরও বাড়াবে।”
এসময় দৈনিক সাগরকূল সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নেছার উদ্দিন পরিদর্শন টিমের প্রধান বাংলাদেশ সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট-পিআইডি’র সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবালসহ পিআইডি’র টিমকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, “আমরা সর্বদা নিয়মনীতি অনুসরণ করে, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে-তথ্য, গণতন্ত্র ও জনগণের সংযোগ স্থাপন।”
প্রতিনিধি দলের এই সফর কেবল একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং এটি ছিল একধরনের অনুপ্রেরণা যা আগামী দিনে দৈনিক সাগরকুল-এর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে তুলবে বলে বিশ্বাস করেন স্থানীয় সাংবাদিকগণ।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মটি যেভাবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নীতিনৈতিকতা মেনে পরিচালিত হচ্ছে, তা যেন তৃণমূল সাংবাদিকদের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং পাঠক সমাজও সংবাদপত্রটির পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতাকে সম্মান জানিয়েছে।
এই সফরের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো ছিল:
দৈনিক সাগরকুল-এর স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, পিআইডি প্রতিনিধি দলের সরাসরি পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, সম্পাদক-প্রকাশক ও প্রতিনিধিদের মধ্যে হৃদ্যতাপূর্ণ মতবিনিময়, সরকারি প্রতিনিধিদের সরাসরি স্বীকৃতি ও প্রশংসা।
এটি বরগুনার সাংবাদিক সমাজ ও অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এমন একটি সময়ে যখন ভুয়া তথ্য ও গুজবের ছড়াছড়ি, তখন দৈনিক সাগরকূল সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার যে মানদণ্ড তুলে ধরছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
সর্বশেষে, প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে সম্পাদক, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি:

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু একটি হিন্দু পরিবারের ২৯ শতাংশ পৈতৃক জমি ও পুকুর জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আলহাজ্ব বি.এন. খান ডিগ্রি কলেজের নাম ব্যবহার করে। কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখলের অপচেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত এবং সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বরিশাল সদর রোডস্থ টাউন হলের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস ও তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাস।

মানববন্ধনে সঞ্জয় চন্দ্র দাস অভিযোগ করেন, তাঁর দাদা নারায়ণ চন্দ্র দাসের সূত্রে পাওয়া ২৯ শতাংশ জমি ও পুকুরটি ১৯৫৯ সাল থেকে তাঁদের পরিবার ভোগদখল করে আসছে। সম্প্রতি কলেজের নাম ব্যবহার করে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখিত মোহাম্মদ আজিজ খান ও মো. হাবিব খানের নেতৃত্বে গভর্নিং বডির সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫), অ্যাডভোকেট মো. আমির হোসেন মিয়া (৬৫), সভাপতি মোহাম্মদ নয়ন মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জন ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, তাঁদের জমি কলেজের সীমানাপ্রাচীরের বাইরে। মাঝখানে সরকারি রাস্তা রয়েছে। এরপরও তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য হিসেবে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
সঞ্জয় জানান, গত ১৪ অক্টোবর প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধপূর্ণ পুকুর পরিষ্কারের কাজ শুরু করলে বাধা দেন তাঁরা। এ সময় তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাসসহ পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর একই ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছিল।

সম্পত্তি রক্ষায় ২০২০ সালে উজিরপুরের সিভিল সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দেওয়ানি মামলা (১৪/২০২০) দায়ের করা হয়। মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৬। এ ছাড়া হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ৪৮৯২/২০২৬, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে মিস কেস নম্বর ১৯৪৭/২০২৬ এবং উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ১৫০ ধারায় ০৭/২০২৬ নম্বরের মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। মিস কেসটির শুনানির তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৬।

ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সঞ্জয় বলেন, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম ঘুষের বিনিময়ে তাঁদের জমি রেকর্ড থেকে বাদ দিয়ে কলেজের সম্পত্তির সঙ্গে একত্র করেছেন। কোনো নোটিশ না দিয়েই জমি কর্তন করে ১৫৪২ নম্বর খতিয়ানে রেকর্ড করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানের গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে অনিয়মের বিষয় উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, সম্পত্তিটি উজিরপুর মৌজায় অবস্থিত। এর জেএল নম্বর ৯২, এসএ খতিয়ান ৭৮৮ ও ৭৮৯, এসএ দাগ ১৩৪, বিএস খতিয়ান ১৩৫৫ এবং বিএস দাগ ১৯৬৩। এ ছাড়া আরএস খতিয়ান ২২১ ও ২২৩ এবং ডিপি খতিয়ান ১৩৫৫-এর সঙ্গে সম্পত্তিটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

মানববন্ধন থেকে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভূমি রেকর্ডের অনিয়ম তদন্ত এবং পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগের সুষ্ঠু ও যথাযথ তদন্ত করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

বাপ্পি আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড়সহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করেছে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি’র) সদস্যরা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২৬) সকালে উপজেলার আমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমতলী এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়।

এ সময় বিজিবির টহলদল গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক রাস্তা পরিবর্তন করে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কাভার্ড ভ্যানটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। পরে কাভার্ড ভ্যানটিতে তল্লাশি করে ৯ হাজার ২৭৮ মিটার ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড় উদ্ধার করা হয়।

আটক করা কাপড় ও কাভার্ড ভ্যানের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা। উদ্ধার করা চোরাচালানি মালামাল ও কাভার্ড ভ্যান আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি’র অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না

বিশেষ প্রতিনিধি:

তাফরিদ কটন মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, নারী কর্মীদের যৌন হয়রানি, বেতন-ভাতা আত্মসাৎ এবং ব্যাংকঋণসংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশ করেছিল জি২৪ নিউজ।

সংবাদ প্রকাশের পরপরই জি২৪ নিউজের সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলামসহ সাত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির বাদী ছিলেন শেখ সামিউল ইসলামের স্ত্রী।

আদালতের নির্দেশে প্রথমে উত্তরা পশ্চিম থানা মামলাটি তদন্ত করে। তদন্তে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

পরবর্তীতে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়া হলে আদালত পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব দেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-কে।

সিআইডির কর্মকর্তা শামীম আল আহমেদের নেতৃত্বে দীর্ঘ তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে কোনো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সিআইডিও সাংবাদিকদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

এটি শুধু সাতজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার তদন্তের বিষয় নয়; এটি সত্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাগত দায়বদ্ধতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

এদিকে, এ ঘটনায় জি২৪ নিউজের সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠন Protect Journalists উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে। সংগঠনটি তাদের উদ্বেগের কথা বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতেও ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়েছে।

এ বিষয়ে মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন
আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্য, তথ্য ও জনস্বার্থ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করাই আমার পেশাগত দায়িত্ব।

আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের আলোকে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মামলা, হুমকি কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখা যাবে না। জনস্বার্থে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আমি কখনো আপস করব না।

সত্যের সন্ধানে—আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ "মোবাইল কোর্ট অভিযানে" আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে