খুঁজুন
, ,

কক্সবাজারে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস’র সফট ওপেনিং

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপের ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস’র সফট ওপেনিং

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের বিশ্বখ্যাত সমুদ্রসৈকত ঘেরা হিমছড়িতে গোল্ড স্যান্ডস্ গ্রুপের নতুন স্বপ্নযাত্রা হিসেবে যাত্রা শুরু করল চার তারকা মানের আন্তর্জাতিক হোটেল বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে-হিলস। ১৫ নভেম্বর ২০২৫ শনিবার ছিল উদ্বোধনের দিন, আর সেই দিনটিকে কেন্দ্র করে হিমছড়ি—from the hills to the sea—রূপ নিল এক উৎসবমুখর পর্যটন মিলনমেলায়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নানা আয়োজন, র‌্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, তারকাদের উপস্থিতি, আর দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাসে জমে উঠেছিল পুরো এলাকা।

গোল্ড স্যান্ডস্ গ্রুপের এই নতুন হোটেলটি শুধু কক্সবাজারেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বখ্যাত হোটেল চেইন Best Western এর Plus গ্রেডের এই হোটেলটি তাদের আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে পরিচালিত হবে। বিশেষ করে হোটেলের প্রতিটি স্যুইট থেকে একইসঙ্গে পাহাড় ও সমুদ্রের অনাবিল সৌন্দর্য উপভোগের বিরল সুবিধা পর্যটকদের কাছে এটিকে একটি অনন্য গন্তব্যে পরিণত করেছে।

হিমছড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মেরিন ড্রাইভের মনোরম পরিবেশ এবং সমুদ্রপথের সহজ যোগাযোগ সুবিধার কারণে গত কয়েক বছরে এ এলাকা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বে-হিলসের মতো একটি বিশ্বমানের হোটেল যুক্ত হওয়ায় পর্যটন বিনিয়োগ ও বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উদ্বোধনের দিন সকাল ৯টা থেকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর শুরু হয় গোল্ডস্যান্ডস্ গ্রুপের রঙিন র‌্যালি, যেখানে অংশ নেন হোটেলের কর্মী, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিভিন্ন অতিথি।
র‌্যালির পর ফিতা কেটে হোটেলের আনুষ্ঠানিক সফ্ট ওপেনিং করেন গ্রুপের সিইওসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

দিনব্যাপী হোটেল চত্বরে ও মেরিন ড্রাইভে বিভিন্ন আয়োজনে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ঘোড়ার গাড়ির রঙিন শোভাযাত্রা বহু পর্যটককে আকর্ষণ করে। মেরিন ড্রাইভে বিশেষ লাইটিং সাজসজ্জা সন্ধ্যার পর পুরো এলাকাকে আলোকিত করে তোলে।

বিকেল থেকে একে একে যোগ দেন জনপ্রিয় সেলিব্রিটি, ব্র্যান্ড প্রমোটর, ইনফ্লুয়েন্সার এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা। তাঁরা হোটেলের বিভিন্ন স্যুইট, রুফটপ, পুলসাইড এবং রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করে আন্তর্জাতিকমানের সেবার প্রশংসা করেন।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে হোটেল প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় মিউজিক্যাল বারবিকিউ নাইট। পর্যটক ও অতিথিদের জন্য ওপেন-এয়ার পরিবেশে সুরের মূর্ছনা, লাইভ ব্যান্ড পারফরমেন্স এবং দৃষ্টিনন্দন বারবিকিউ আয়োজনে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এরপর শুরু হয় সান্ধ্যকালীন কালচারাল প্রোগ্রাম, যেখানে নাচ, গান, এবং দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপিত হয়। পুলসাইডে বিশেষ ডিনারের মাধ্যমে অতিথিরা উপভোগ করেন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক খাবারের সমন্বিত স্বাদ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোল্ডস্যান্ডস্ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বাহার, প্রতিষ্ঠানের এডিএমডি এম এ হাসান বুলবলসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী নেতা, পর্যটন উদ্যোক্তা এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সবাই বে-হিলস হোটেল ঘুরে দেখেন এবং কক্সবাজারের পর্যটনে এ ধরনের বিনিয়োগকে সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।

বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে-হিলস হোটেলের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে সিইও শাহাদাত হোসেন বাহার সকল অতিথি, অংশগ্রহণকারী ও উপদেষ্টা ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন—

“গোল্ডস্যান্ডস্ গ্রুপ বরাবরই দেশের পর্যটন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। হিমছড়িতে বে-হিলসের যাত্রা আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব রূপ। আমরা চাই, কক্সবাজারের পর্যটনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে; দেশী-বিদেশী পর্যটকদের জন্য আরো নিরাপদ, আরামদায়ক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঘেরা অভিজ্ঞতা তৈরি করতে। ভবিষ্যতেও আমরা পর্যটনশিল্প বিকাশে আরও বড় পরিসরে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

পর্যটন খাতের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্বমানের ব্র্যান্ড পরিচালিত এমন হোটেল কক্সবাজারে পর্যটন অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে। এর ফলে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে, পর্যটন ব্যবসায় বৈচিত্র্য আসবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, এবং কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করবে।

সামগ্রিক আয়োজন, অতিথিদের উপস্থিতি, সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান—সব মিলিয়ে বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে-হিলসের সফ্ট ওপেনিং কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে স্থান করে নিল। পাহাড়-সমুদ্রের মিলনস্থলে এমন একটি আধুনিক আন্তর্জাতিকমানের হোটেলের উদ্বোধন কক্সবাজারকে আরও আকর্ষণীয় ও বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি:

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু একটি হিন্দু পরিবারের ২৯ শতাংশ পৈতৃক জমি ও পুকুর জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আলহাজ্ব বি.এন. খান ডিগ্রি কলেজের নাম ব্যবহার করে। কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখলের অপচেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত এবং সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বরিশাল সদর রোডস্থ টাউন হলের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস ও তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাস।

মানববন্ধনে সঞ্জয় চন্দ্র দাস অভিযোগ করেন, তাঁর দাদা নারায়ণ চন্দ্র দাসের সূত্রে পাওয়া ২৯ শতাংশ জমি ও পুকুরটি ১৯৫৯ সাল থেকে তাঁদের পরিবার ভোগদখল করে আসছে। সম্প্রতি কলেজের নাম ব্যবহার করে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখিত মোহাম্মদ আজিজ খান ও মো. হাবিব খানের নেতৃত্বে গভর্নিং বডির সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫), অ্যাডভোকেট মো. আমির হোসেন মিয়া (৬৫), সভাপতি মোহাম্মদ নয়ন মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জন ওই সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, তাঁদের জমি কলেজের সীমানাপ্রাচীরের বাইরে। মাঝখানে সরকারি রাস্তা রয়েছে। এরপরও তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য হিসেবে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
সঞ্জয় জানান, গত ১৪ অক্টোবর প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধপূর্ণ পুকুর পরিষ্কারের কাজ শুরু করলে বাধা দেন তাঁরা। এ সময় তাঁর চাচা অমল চন্দ্র দাসসহ পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর একই ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছিল।

সম্পত্তি রক্ষায় ২০২০ সালে উজিরপুরের সিভিল সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দেওয়ানি মামলা (১৪/২০২০) দায়ের করা হয়। মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৬। এ ছাড়া হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ৪৮৯২/২০২৬, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে মিস কেস নম্বর ১৯৪৭/২০২৬ এবং উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ১৫০ ধারায় ০৭/২০২৬ নম্বরের মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। মিস কেসটির শুনানির তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৬।

ভূমি রেকর্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সঞ্জয় বলেন, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম ঘুষের বিনিময়ে তাঁদের জমি রেকর্ড থেকে বাদ দিয়ে কলেজের সম্পত্তির সঙ্গে একত্র করেছেন। কোনো নোটিশ না দিয়েই জমি কর্তন করে ১৫৪২ নম্বর খতিয়ানে রেকর্ড করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানের গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে অনিয়মের বিষয় উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, সম্পত্তিটি উজিরপুর মৌজায় অবস্থিত। এর জেএল নম্বর ৯২, এসএ খতিয়ান ৭৮৮ ও ৭৮৯, এসএ দাগ ১৩৪, বিএস খতিয়ান ১৩৫৫ এবং বিএস দাগ ১৯৬৩। এ ছাড়া আরএস খতিয়ান ২২১ ও ২২৩ এবং ডিপি খতিয়ান ১৩৫৫-এর সঙ্গে সম্পত্তিটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

মানববন্ধন থেকে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ভূমি রেকর্ডের অনিয়ম তদন্ত এবং পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সঞ্জয় চন্দ্র দাস।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগের সুষ্ঠু ও যথাযথ তদন্ত করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক

বাপ্পি আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড়সহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক করেছে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি’র) সদস্যরা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২৬) সকালে উপজেলার আমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমতলী এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়।

এ সময় বিজিবির টহলদল গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক রাস্তা পরিবর্তন করে পালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কাভার্ড ভ্যানটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। পরে কাভার্ড ভ্যানটিতে তল্লাশি করে ৯ হাজার ২৭৮ মিটার ভারতীয় উন্নতমানের শার্টের থান কাপড় উদ্ধার করা হয়।

আটক করা কাপড় ও কাভার্ড ভ্যানের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ টাকা। উদ্ধার করা চোরাচালানি মালামাল ও কাভার্ড ভ্যান আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি’র অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না

বিশেষ প্রতিনিধি:

তাফরিদ কটন মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ সামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, নারী কর্মীদের যৌন হয়রানি, বেতন-ভাতা আত্মসাৎ এবং ব্যাংকঋণসংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রকাশ করেছিল জি২৪ নিউজ।

সংবাদ প্রকাশের পরপরই জি২৪ নিউজের সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলামসহ সাত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির বাদী ছিলেন শেখ সামিউল ইসলামের স্ত্রী।

আদালতের নির্দেশে প্রথমে উত্তরা পশ্চিম থানা মামলাটি তদন্ত করে। তদন্তে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

পরবর্তীতে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়া হলে আদালত পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব দেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-কে।

সিআইডির কর্মকর্তা শামীম আল আহমেদের নেতৃত্বে দীর্ঘ তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে কোনো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সিআইডিও সাংবাদিকদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

এটি শুধু সাতজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার তদন্তের বিষয় নয়; এটি সত্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাগত দায়বদ্ধতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

এদিকে, এ ঘটনায় জি২৪ নিউজের সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠন Protect Journalists উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে। সংগঠনটি তাদের উদ্বেগের কথা বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতেও ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়েছে।

এ বিষয়ে মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন
আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতার মূল শক্তি সত্য, তথ্য ও জনস্বার্থ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করাই আমার পেশাগত দায়িত্ব।

আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের আলোকে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মামলা, হুমকি কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখা যাবে না। জনস্বার্থে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আমি কখনো আপস করব না।

সত্যের সন্ধানে—আমাদের পথচলা অব্যাহত থাকবে।

উজিরপুরব বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৭শত টাকার ভারতীয় কাপড়সহ কাভার্ড ভ্যান আটক সত্য প্রকাশের দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসব না—মামলা দিয়ে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা যাবে না নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ "মোবাইল কোর্ট অভিযানে" আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে