খুঁজুন
, ,

রাঙ্গাবালীতে সমুদ্রগামী অর্ধশতাধিক ট্রলারের জেলেরা পেল নিরাপত্তা সরঞ্জাম 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
রাঙ্গাবালীতে সমুদ্রগামী অর্ধশতাধিক ট্রলারের জেলেরা পেল নিরাপত্তা সরঞ্জাম 

মোঃমনিরুল ইসলাম:

সমুদ্রে মাছ আহরণের সময় মৎস্যজীবীরা প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা এবং নানা ধরনের ঝুঁকির মুখোমুখি হন। এসব ঝুঁকি কমিয়ে সমুদ্রযাত্রাকে নিরাপদ করতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সমুদ্রগামী জেলেদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলেদের হাতে এসব সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। 

এ সময় উপজেলার ৭৩টি সমুদ্রগামী মাছধরা ট্রলারে নিরাপত্তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়, যার মাধ্যমে প্রায় ৭৫০ জন মৎস্যজীবী উপকৃত হবেন। প্রতিটি জেলে ট্রলারকে ১২ ধরনের নিরাপত্তা সরঞ্জাম দেওয়া হয়। সরঞ্জাম বিতরণের আগে জেলেদের এসব সরঞ্জাম সঠিকভাবে ব্যবহার করার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণের বাস্তবায়নে ফিসনেট প্রকল্পের আওতায় ওশান গ্রান্টস প্রোগ্রাম ও ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের  সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জেলেদের মধ্যে যে সব সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে-লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, সিগন্যাল লাইট, ফ্ল্যাশ লাইট, পাওয়ার ব্যাংক, রেইন কোট, গামবুট, প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স, প্রয়োজনীয় ওষুধ, হ্যান্ড গ্লাভস, ইঞ্জিন মেরামতের যন্ত্রপাতি এবং ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার ময়লা সংরক্ষণ পাত্র।

এই কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী সংস্থা উত্তরণের ফিসনেট প্রকল্পের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক  অনিমেষ পাল বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবীরা প্রতিনিয়ত প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি মোকাবিলা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জেলেদের মধ্যে নিরাপদ মৎস্য আহরণে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং সমুদ্রে সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও উপকূলীয় মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ মৎস্য আহরণ এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ

বাপ্পি আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন ও বিজয়নগর উপজেলার ১টি ইউনিয়ন ভেঙ্গে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়নের সাথে যুক্ত করে “বরিশল” নামে নতুন উপজেলা গঠন করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

প্রস্তাবের প্রতিবাদে সোমবার (০২ নভেম্বর ২৬) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করে ৪ ইউনিয়নের বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় তারা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলী মোড় ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবরোধ করে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতার একটি অংশ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে নতুন উপজেলার প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি গোপন রাখায় জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। পরে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এডঃ শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডঃ তরিকুল ইসলাম রোমা, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ ৪ ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গ জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ এর সাথে কথা বলে প্রস্তাব বাতিলের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান করে।

এ সময় বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার, রামরাইল, সুলতানপুর, বাসুদেব ও বিজয়নগর উপজেলার সিংঙ্গারবিলকে ভেঙ্গে “বরিশল” ইউনিয়ন নামে নতুন একটি উপজেলা গঠনের পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন জেলা বিএনপি নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। তার এই পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের আলোকে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ নতুন উপজেলা নিরীক্ষণের জন্য একটি দাপ্তরিক পত্র পাঠিয়েছে । এবং জেলা প্রশাসক বিষয়টি গোপন রেখেছে যা কখনো মেনে নেয়া হবে না। বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সদর ও বিজয়নগর উপজেলাকে ভেঙ্গে নতুন উপজেলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ, সড়কপথ অবরোধসহ তীব্র আন্দোলনের মাধমে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে। তারা বর্তমানের ন্যায় সদর উপজেলার সাথে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।

“মোবাইল কোর্ট অভিযানে” আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“মোবাইল কোর্ট অভিযানে”  আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে

বাপ্পি আহমেদ, জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক এর নির্দেশে রবিবার (০১ নভেম্বর ২০২৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।
মোবাইল কোর্ট অভিযানের এর দায়িত্বে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কালেক্টরেট (ডিসি অফিস) এ কর্মরত এনডিসি রাশেদুল হক সজীব।

এ সময় আটকের পরও ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে!

এ বিষয়ে (এনডিসি) রাশেদুল হক সজীব এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে আগামী নিউজ এ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পেট্রোল ঢেলে গৃহবধুর শরীরে আগুন দেয়ার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পেট্রোল ঢেলে গৃহবধুর শরীরে  আগুন দেয়ার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

বাপ্পি আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্ত্রীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এতে ইখতারা সরকার (৩০) নামে এক গৃহবধূর শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তিনি ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) ভোরে আশুগঞ্জ উপজেলার চর-চারতলা এলাকার সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ইখতারা ওই এলাকার ইদন সরকারের মেয়ে। তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায়। প্রায় ১৫ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, প্রায় ১ বছর ধরে জাহাঙ্গীর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। তিনি প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। প্রায় দেড় মাস আগে মারধরের পর ২ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ইখতারা।

স্বজনদের দাবি, গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) ছোট ছেলেকে নিতে শ্বশুর বাড়িতে আসেন জাহাঙ্গীর। এ সময় স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পরদিন শনিবার ভোরে ইখতারার মা ফজরের নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হলে সেই সুযোগে জাহাঙ্গীর ঘরে ঢুকে বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ইখতারার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ।
পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আনিসুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পলাতক স্বামীকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চলছে।

নতুন উপজেলা গঠন প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।। মহাসড়ক অবরোধ ও ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ "মোবাইল কোর্ট অভিযানে" আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হলো মাসুম নামে একজন চিহ্নিত দালালকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পেট্রোল ঢেলে গৃহবধুর শরীরে আগুন দেয়ার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টিকটক ভিডিওতে মন্তব্য করার জের ধরে সালিশের পরও দুই গোষ্ঠীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ গৌরীচন্না ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক গোলাম হায়দার স্বপন